শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

জামানতের সীমা ছাড়িয়ে তিনগুণ ঋণ, সংকটে ২০ প্রতিষ্ঠান

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫
  • ৮৫ পড়া হয়েছে

জামানতের সীমা ছাড়িয়ে তিনগুণ ঋণ, সংকটে ২০ প্রতিষ্ঠান

জামানতের চেয়ে তিনগুণ বেশি ঋণ দিয়ে মারাত্মক আর্থিক ঝুঁকিতে পড়েছে দেশের ২০টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই)। বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকায় এসব প্রতিষ্ঠানকে ‘লাল তালিকাভুক্ত’ করা হয়েছে। বিতরণ করা ঋণের ৮৩ শতাংশের বেশি এখন খেলাপি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০টি এনবিএফআইয়ে গ্রাহকের মোট আমানতের পরিমাণ ২২ হাজার ১২৭ কোটি টাকা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ মূল্যায়ন ছাড়াই ঋণ বিতরণ করেছে, এবং তাদের সরবরাহ করা জামানতের তথ্য স্বাধীন নিরীক্ষার আওতায় যাচাই করা হয়নি। এ কারণেই ঋণের বিরাট একটি অংশ ফেরত না পাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

ফলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণকৃত ঋণের ৮৩ শতাংশেরও বেশি। এর মধ্যে সাতটি প্রতিষ্ঠানের খেলাপি হার ৯০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, বিআইএফসি, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ফার্স্ট ফাইন্যান্স এবং পিপলস লিজিং।

সাধারণত খেলাপি ঋণের ঝুঁকি কমাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণের সমান বা তার চেয়ে বেশি অর্থমূল্যের জামানত রাখে। কিন্তু লাল তালিকাভুক্ত এই ২০টি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে চিত্রটি সম্পূর্ণ উল্টো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৬ হাজার ৮৯৯ কোটি টাকার জামানতের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণ বিতরণ করেছে ২৫ হাজার ৮০৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ, ঋণের বিপরীতে জামানতের পরিমাণ মাত্র ২৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই যথাযথ মূল্যায়ন ছাড়াই ঋণ দেওয়া হয়েছে। জামানতের যে তথ্য প্রতিষ্ঠানগুলো দিয়েছে, সেটা কোনো স্বাধীন নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান দিয়ে যাচাই করা হয়নি। এই অপর্যাপ্ত জামানতের কারণেই দুর্দশাগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা, যা তাদের মোট ঋণের ৮৩ শতাংশের বেশি।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024