শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

সাংকেতিক অক্ষর ও শব্দে মাদক কিনতেন তিশা-টয়ারা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৩৮ পড়া হয়েছে

নাট্যাঙ্গনের জনপ্রিয় কয়েকজন অভিনেত্রী ও মডেল একটি বিশেষ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে নিয়মিত মাদক সেবন করতেন। এই গ্রুপের অ্যাডমিন এবং মাদক বিক্রেতা ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী অরিন্দম রায় দীপ। দীপকে গ্রেফতারের পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (নারকোটিক্স) তার কাছ থেকে কয়েকজন অভিনেত্রী ও মডেলের মাদক সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে। এই অভিনেত্রীরা গোপনে মাদক কিনতে সাংকেতিক শব্দ ব্যবহার করতেন, যেমন এমডিএম ‘ই’ এবং এলএসডি ‘এসিড’ নামে পরিচিত ছিল।

দীপ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সাবেক ছাত্র। অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন অভিনেত্রী আনাতোনি কেলি সাফা (সাফা কবির), মুমতাহিনা চৌধুরী (টয়া), তানজিন তিশা, এবং সংগীত শিল্পী সুনিধি নায়েক।

নারকোটিক্সের সহকারী পরিচালক রাহুল সেন জানান, দীপকে গ্রেফতারের পর তার মোবাইল ফোনের কললিস্ট ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটিং পরীক্ষা করা হয়। এতে মাদকসংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় এবং অভিনেত্রীদের মাদক ক্রয়ের সম্পর্কিত কিছু সুনির্দিষ্ট চ্যাট রেকর্ডও উদ্ধার করা হয়।

তদন্তের সময় একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটিংয়ে অভিনেত্রী টয়া ৫ সেপ্টেম্বর মাদক অর্ডার দেন, যেখানে তিনি ‘ই’ লাগবে ৫টা বলে উল্লেখ করেন। দীপ সাড়ায় ‘ফর বাংলা ফ্রুট?’ (প্রাইভেট পার্টি কক্সবাজারে) প্রশ্ন করেন, এবং টয়া ‘ইয়াপ (ইয়েস)’ বলে প্রতিক্রিয়া জানান।

এই গ্রুপে আরও কিছু অভিনেত্রী ও সংগীত শিল্পীর চ্যাটিং পাওয়া যায়। যেমন, সুনিধি নায়েক মাদক অর্ডার করার সময় এমডিএমের কয়েকটি প্যাকেটের ছবি শেয়ার করেন। এইসব মাদক গোপনীয়তার সঙ্গে সাংকেতিক ভাষায় বিক্রি করা হয়। যেমন, এমডিএমকে ‘ই’ নামে, এলএসডিকে ‘এসিড’ নামে এবং তরল গাঁজাকে ‘টিএসসি’ নামে পরিচিতি রয়েছে। তরল গাঁজা ইলেকট্রিক সিগারেটের মতো ভেপ আকারে সেবন করা হয়।

এখনো তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024