শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

ট্রাম্পের শুল্কনীতি বোয়িংয়ের জন্য একপ্রকার আশীর্বাদ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
  • ৫২ পড়া হয়েছে

ট্রাম্পের শুল্কনীতি বোয়িংয়ের জন্য একপ্রকার আশীর্বাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনের আগ থেকেই প্রস্তুতির পাশাপাশি আবারও বাণিজ্যযুদ্ধের হুমকি ছুড়ছিলেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশে আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই শুল্কনীতি বোয়িংয়ের জন্য যেমন নতুন কার্যাদেশের পথ খুলে দিচ্ছে, তেমনি নতুন চ্যালেঞ্জও তৈরি করছে।

মঙ্গবার (২৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ট্রাম্পের প্রশাসন বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যেসব দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যচুক্তি করছে, তাতে বোয়িংয়ের মতো মার্কিন কোম্পানির পণ্য কেনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এ বছরের শুরু থেকেই কাতার, সৌদি আরব, বাহরাইন, জাপান, ইন্দোনেশিয়া বোয়িংয়ের বিমান কেনার ঘোষণা দিয়েছে। ট্রাম্প এটিকে নিজ সরকারের “শুল্ক দিয়ে চাপ সৃষ্টি করে রপ্তানি বাড়ানোর কৌশল” হিসেবে তুলে ধরছেন।

তবে এই শুল্কনীতি এখন উল্টো ফলও দিতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন যদি পাল্টা প্রতিশোধমূলক শুল্ক আরোপ করে, তাহলে বোয়িংয়ের অন্যতম বাজারগুলো ঝুঁকির মুখে পড়বে। বাজেট এয়ারলাইনস রায়ানএয়ার ইতিমধ্যে জানিয়েছে, তারা বোয়িংয়ের সরবরাহে দেরি করতে পারে যদি শুল্ক বেড়ে যায়।

বোয়িংয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মডেল ৭৩৭ ম্যাক্স ও ৭৭৭-৯ এখনো এফএএ-এর অনুমোদন পায়নি, ফলে নতুন চুক্তি পেলেও বিমান সরবরাহে দেরি হচ্ছে। পাশাপাশি উৎপাদন ঘাটতি, সরবরাহব্যবস্থায় ব্যাঘাত, ধর্মঘট এবং অতীতের নিরাপত্তাজনিত দুর্ঘটনার প্রভাব এখনো কাটেনি।

বিশ্লেষক কোর্টনি মিলার বলেন, “ট্রাম্পের শুল্কনীতি যতই আক্রমণাত্মক হোক না কেন, দীর্ঘমেয়াদে সেটা মার্কিন কোম্পানির ওপরই বুমেরাং হতে পারে।” কারণ বিশ্ববাজারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেবল বোয়িং ও এয়ারবাস-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং একটিকে চাপ দিলে অন্যটি সুবিধা নেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন প্রশ্ন একটাই—ট্রাম্পের শুল্ক-কেন্দ্রিক আগ্রাসী কৌশল বোয়িংকে সাময়িক চুক্তি এনে দিচ্ছে, না কি দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন বিমান শিল্পের জন্য অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়াবে?

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024