শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

১২ মাসে ব্যাংক আমানত বেড়েছে ২৪৬০ কোটি টাকা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫
  • ৭৩ পড়া হয়েছে

১২ মাসে ব্যাংক আমানত বেড়েছে ২৪৬০ কোটি টাকা

দেশের নন-ব্যাংকিং ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোতে আমানত প্রবাহ বাড়তে শুরু করেছে। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসে লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ায় ও আমানতের সুদের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রাহকদের আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। যে কারণে তারা ব্যাংকের পাশাপাশি ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোতে আমানত রাখছেন।

এতে এসব কোম্পানিতে আমানত প্রবাহ গত এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা। গত বছরের মার্চ শেষে আমানতের স্থিতি ছিল ৪৭ হাজার ৩১ কোটি টাকা। গত মার্চে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। এক বছরে আমানত বেড়েছে ৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলো চলতি আমানত নিতে পারে না। তারা কমপক্ষে ছয় মাস মেয়াদি বা এর বেশি মেয়াদি আমানত নিতে পারে। এ কারণে তাদের মেয়াদি আমানতই বেশি। ফলে অন্যান্য ধরনের আমানত তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোতে তুলনামূলকভাবে কম।

দেশে মোট ৩৪টি ফাইন্যান্স কোম্পানি রয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ ফাইন্যান্স কোম্পানিই দুর্বল। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১১টি ফাইন্যান্স কোম্পানিতে বড় ধরনের লুটপাট হয়েছে। এর মধ্যে পি কে হালদার একাই ৫টি কোম্পানিতে লুটপাট করে আমানতকারীদের টাকা দেশের বাইরে নিয়ে গেছে। এর প্রভাবে অন্যান্য ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোতে গত বছরের মার্চ শেষে আমানতের স্থিতি ছিল ৪৭ হাজার ৩১ কোটি টাকা। গত মার্চে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। এক বছরে আমানত বেড়েছে ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা বা ৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। এর মধ্যে গত জুনের তুলনায় সেপ্টেম্বরে আমানতের স্থিতি কিছুটা কমে গিয়েছিল।

পরে আবার তা বেড়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ফাইন্যান্স কোম্পানি বেশ ভালোভাবে চলছে। মূলত তাদের কারণেই এ খাতের আমানতের প্রবাহ বেড়েছে। তারা আমানতের বিপরীতে যেমন ভালো মুনাফা দিচ্ছে, তেমনি গ্রাহকদের নিয়মিত ঋণ দিচ্ছে এবং আদায় করছে। যে কারণে তাদের খেলাপি ঋণ কম।

প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, গত বছরের মার্চে মেয়াদি আমানত ছিল ৪৬ হাজার কোটি টাকা। গত মার্চে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮ হাজার কোটি টাকা। আমানত বেড়েছে ২ হাজার কোটি টাকা।

ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর মোট আমানতের মধ্যে সরকারি খাতের আমানত মাত্র ৪ হাজার কোটি টাকা। বাকি প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকাই বেসরকারি খাতের।

এদিকে ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলো সবসময়ই আমানতের বিপরীতে ভালো মুনাফা দিচ্ছে। এখন তাদের মুনাফার হার আরও বেড়েছে। ২০২৩ সালের জুনে এসব কোম্পানি আমানতের বিপরীতে গড়ে মুনাফা দিত ৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ শতাংশে। কোনো কোনো ফাইন্যান্স কোম্পানি ১৩ শতাংশ মুনাফা দিয়েও আমানত নিচ্ছে।

ভালো কোম্পানিগুলো তুলনামূলকভাবে সর্বোচ্চ ১১ শতাংশ মুনাফা দিচ্ছে। দুর্বল কোম্পানিগুলো সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ দিচ্ছে। এ হিসাবে গত দুই বছরের ব্যবধানে মুনাফার হার বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। তবে গ্রাহকরা এখন বেশ সচেতন। তারা এখন আর দুর্বল কোম্পানিগুলোর দিকে যাচ্ছে না।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024