গত বছরের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে সংঘটিত ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ঘটনা জাতির মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। আর এই আন্দোলনের সম্মুখসারিতে ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, রাজপথে বা শিল্পী সমাজের প্ল্যাটফর্মে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল অত্যন্ত দৃশ্যমান।

আজমেরী হক বাঁধন
২০২৫ সালের ৫ আগস্ট, সেই ঐতিহাসিক দিনের এক বছর পূর্তিতে বাঁধন তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও আবেগ প্রকাশ করেন ফেসবুক পোস্টে। তিনি লেখেন,
“এই দিনটি চিরকাল আমার স্মৃতিতে গেঁথে থাকবে। ভয় আর আশার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা সেই সকালটা ছিল সাহস ও দৃঢ়তার প্রতিচ্ছবি। এমন মুহূর্ত জীবনে খুব কমই আসে।”

আজমেরী হক বাঁধন
একই দিনে আরেকটি পোস্টে তিনি বলেন,
“যখন খবর আসে, শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন— তখন দেশের রাজপথে, জনতার মাঝখানে যে উল্লাস, যে বিজয়ের আনন্দ, তা ভাষায় প্রকাশযোগ্য নয়। এই অনুভূতি শুধু স্ক্রিনে দেখে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় থেকে বোঝা সম্ভব নয়, সেখানে উপস্থিত থাকতে হতো।”
তিনি আরও যোগ করেন,
“পুরো জাতি যেন জেগে উঠেছিল একসাথে। কেউ কাঁদছিল, কেউ হাসছিল, কেউ স্বাধীনতার গান গাইছিল। আমি তখন সবচেয়ে বেশি গর্বিত ছিলাম বাংলাদেশের মানুষদের নিয়ে। এমন বিজয়, এমন ঐক্য, এমন সাফল্য— চিরদিন আমার স্মৃতিতে থাকবে।”
আজমেরী হক বাঁধনের চোখে এই দিনটি শুধু একটি রাজনৈতিক অর্জন নয়, বরং এটি একটি জাতির জাগরণের প্রতীক হয়ে রয়েছে।