মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি জানান, শিগগিরই সাড়ে ছয় হাজার শূন্য পদে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তি ও কাঠামোগত উন্নয়নের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, ইতোমধ্যে প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন হবে। এছাড়া, সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। যেসব এলাকায় এখনো বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি, সেখানে সংযোগ স্থাপনের কাজ চলছে।
নারী স্থপতিদের অংশগ্রহণে নতুন স্কুল ভবন নির্মাণ কাজ চলছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি ই-লার্নিং চালুর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের ১০০টি স্কুলে ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনার কথাও বলেন ড. ইউনূস।
প্রযুক্তিনির্ভর শ্রেণিকক্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ এবং দেশের অভিজ্ঞ শিক্ষকদের মাধ্যমে দূরবর্তী এলাকায় পাঠদান নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৬৫ হাজার ৫০২টি অনুমোদিত প্রধান শিক্ষক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৩১ হাজার ৩৯৬ জন। ফলে ৩৪ হাজার ১০৬টি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদ ২ হাজার ৬৪৭টি। সংরক্ষিত কোটা বাদ দিয়ে অবশিষ্ট ২ হাজার ৩৮২টি পদে নিয়োগের জন্য ইতিমধ্যেই পিএসসি’র কাছে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। খুব শিগগিরই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে।
এছাড়া সহকারী শিক্ষক পদ থেকে পদোন্নতির মাধ্যমে বাকি ৩১ হাজার ৪৫৯টি পদ পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে একটি চলমান সিভিল আপিল মামলার নিষ্পত্তি হলেই এ প্রক্রিয়া শুরু হবে।