প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশকে ব্যবসা-বান্ধব করার জন্য ইতিমধ্যে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আয়োজিত এক ব্যবসায়িক ফোরামে তিনি বলেন, অতীতে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি, তবে নতুন বাংলাদেশে উদ্ভাবনী পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যবসায়িক সুযোগ ক্রমেই বাড়ছে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, “বাংলাদেশ এখন সম্ভাব্য সব উপায়ে ব্যবসা-বান্ধব হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি এখানে সীমাহীন সম্ভাবনা দেখছি।” তিনি বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, বাংলাদেশে তরুণ জনগোষ্ঠী সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতায় সমৃদ্ধ। বিদেশে বসবাসরত তরুণ বাংলাদেশিরাও সবসময় দেশের জন্য কিছু করার আগ্রহী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এবং শুল্ক ও অ-শুল্ক বাধা দূরীকরণে সরকারের প্রচেষ্টা তুলে ধরেন।
আজিয়াটা গ্রুপের সিইও ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিবেক সুদ বাংলাদেশের বাজারে ২৮ বছরের সফল অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। উপস্থিত ছিলেন পেট্রোনাসের গ্রুপ সিইও টেংকু মুহাম্মদ তৌফিক, খাজানা ন্যাশনালের এমডি আমিরুল ফয়সাল ওয়ান জহির, এবং পাম তেল, অটোমোবাইল ও গ্লাভ উৎপাদন খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
এছাড়া, মঙ্গলবার পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এনসিসিআইএম) এবং ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বারস অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।