শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

কৃষি ঋণ বিতরণে নজরদারি বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৭৩ পড়া হয়েছে
কৃষি ঋণ বিতরণে নজরদারি বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কৃষি ঋণ বিতরণে নজরদারি বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কৃষকরা যাতে কৃষি ঋণ নিতে কোনো ধরনের জটিলতায় না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি তদারকি করবে বলে জানিয়েছেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। গতকাল (মঙ্গলবার) রাজধানীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লী খাতে ৩৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ২.৬৩ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকের জন্য বরাদ্দ ১৩ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা এবং বেসরকারি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকের জন্য ২৫ হাজার ১২০ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

গভর্নর বলেন, “শতভাগ কৃষি ঋণ কৃষকের কাছে পৌঁছাতে হবে, কোনো দালালের কাছে যেন না যায়—এটি আমরা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করব।”

তিনি জানান, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য এ ঋণ প্রবাহ বাড়ানো হচ্ছে। তবে দেশের অর্থনীতিতে কৃষিনির্ভরতাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেও উল্লেখ করেন গভর্নর। বর্তমানে কৃষির অবদান জিডিপিতে প্রায় ১৩.৫ শতাংশ হলেও কর্মসংস্থানে এর হার প্রায় ৪০ শতাংশ, যা শিল্পায়ন ও সেবা খাতের ধীরগতি নির্দেশ করে বলে তিনি মনে করেন।

কৃষি ঋণ নীতিমালায় পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে গভর্নর বলেন, শস্য উৎপাদন থেকে বিক্রি পর্যন্ত সময় বিবেচনায় ক্রপ সার্কেল কমপক্ষে ছয় মাস হওয়া উচিত। এছাড়া সুদ মওকুফ বা কৃষকদের বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও ব্যাংকারদের সঙ্গে আলোচনা করা যেতে পারে।

কৃষি বীমা বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমাদের বিদ্যমান বীমা খাতই সঠিকভাবে চলছে না, কৃষি বীমা আরও ঝুঁকিপূর্ণ। আগামী ১০ বছরেও এর তেমন ভবিষ্যৎ দেখছি না। তবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দক্ষ হলে স্বাগত জানাব।”

আমদানির ক্ষেত্রে সরকারের কিছু ভুল নীতি রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন গভর্নর। তার মতে, মৌসুম শেষে দাম বাড়লে আমদানির অনুমতি না দিয়ে আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

এছাড়া ব্যাংক একীভূত করার পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। এতে আমানতকারীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই, বরং সরকারীকরণ হলে তাদের অর্থ আরও নিরাপদ হবে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024