শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নরদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু, অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারির দায় নিরূপণের আহ্বান

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৩৪ পড়া হয়েছে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নরদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু, অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারির দায় নিরূপণের আহ্বান

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক মইনুল ইসলাম বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক তিন গভর্নরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়া একেবারে অপ্রত্যাশিত নয়।

তিন গভর্নরের আমলে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের কেলেঙ্কারি, ঋণখেলাপি, ব্যাংক লুট, রিজার্ভ চুরি এবং ব্যাংক দখলের ঘটনা ঘটেছে। সেই সব পরিস্থিতিতে তারা কোনও প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি, বরং লুটপাটকারীদের সহযোগিতা করেছেন।

অধ্যাপক মইনুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাবেক গভর্নরদের সময়ে দেশে নজিরবিহীনভাবে টাকা পাচার হয়েছে। বিশেষভাবে তিন গভর্নরের আমলে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। এই তদন্ত স্বাগতযোগ্য, কারণ এই সব কেলেঙ্কারির ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানের সময়ে সরকারি ব্যাংক (বেসিক) লুট এবং রিজার্ভ চুরির ঘটনা ঘটেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুপারভিশন ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলা হয়েছিল, ফলে লুটপাটকারীরা আরও সুযোগ পেয়েছিল।

সাবেক গভর্নর ফজলে কবিরের সময়ে রিজার্ভ কমে গিয়েছিল। ব্যাংক দখল ও বড় লুটপাট ঘটেছে। এই সময় ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে টাকা পাচার বৃদ্ধি পেয়েছিল।

সাবেক গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদারের আমলে রিজার্ভ তলানিতে পৌঁছে গিয়েছিল। ডলার সংকট প্রকট আকারে দেখা দিয়েছিল এবং ব্যাংক দখলের ঘটনা আরও বেড়েছে। এস আলম গ্রুপ ৭টি ব্যাংক দখল করে আমানতকারীদের টাকা পাচার করেছে। এই সময় দেশের অর্থনৈতিক সংকট গুরুতর আকার ধারণ করেছিল, যার কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে।

অধ্যাপক মইনুল ইসলাম বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং তাদের দায় দায়িত্ব নিরূপণ করা অত্যন্ত জরুরি। এই তদন্ত দেশের অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024