শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

জ্বালানি তেল সাশ্রয় ও পাইপলাইন প্রকল্প: ১৪০০ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় সম্ভব

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬৬ পড়া হয়েছে
জ্বালানি তেল সাশ্রয়

জ্বালানি তেল সাশ্রয় ও পাইপলাইন প্রকল্প: ১৪০০ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় সম্ভব

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, শুধুমাত্র জ্বালানি তেল কেনার মাধ্যমে গত বছর ১,৪০০ কোটি টাকা সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হয়েছে। শনিবার (১৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম-ঢাকা জ্বালানি তেল সরবরাহের পাইপলাইন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, আগে জ্বালানি তেল আমদানি প্রক্রিয়া কয়েকজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, যা কার্যকারিতা ও প্রতিযোগিতা কমিয়ে দিত। নতুন ব্যবস্থায় স্পেসিফিকেশন উন্নত করে আমদানিতে ১০-১২ জন বিট করার সুযোগ এসেছে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত এক বছরে বিভিন্ন প্রকল্পে মোট ৪৫ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন প্রকল্প প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার অনন্য উদাহরণ। মানবসম্পদ ছাড়া বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ নেই এবং দুর্নীতি ও অবচয় প্রকল্পের সঠিক ব্যবস্থাপনাকে বাধাগ্রস্ত করছে। উপদেষ্টা বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে অবচয় ও দুর্নীতি কমিয়ে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা নিশ্চিত করতে হবে।

ফাওজুল কবির খান বলেন, প্রকল্প ব্যয় আমাদের প্রধান সমস্যা। প্রতিবেশী দক্ষিণ এশিয়ার দেশের তুলনায় বাংলাদেশের প্রকল্প ব্যয় বেশি এবং বিলম্বের কারণে খরচ আরও বেড়ে যাচ্ছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন প্রকল্প তিনবার রিভিশন হয়েছে। বহু প্রকল্প ১৭-১৮ বছরেও শেষ করা সম্ভব হয়নি।

উপদেষ্টা আরও বলেন, আমাদের প্রকৌশলীরা তাদের যথাযথ দক্ষতা দেখাতে পারছেন না। পেশার সাথে অপ্রাসঙ্গিক কাজ করার কারণে প্রকল্পের কার্যকারিতা কম। তিনি বলেন, আমাদের ভাবতে হবে প্রকৌশলীদের দক্ষতার সর্বোচ্চ ব্যবহার কীভাবে করা যায়।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024