ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে আবারও সরব হয়েছেন কংগ্রেস এমপি ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। বিহারের গয়ায় অনুষ্ঠিত ‘ভোটাধিকার যাত্রা’-তে অংশ নিয়ে তিনি সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করেছেন।
রাহুল দাবি করেছেন, ভোটার তালিকা সংশোধন কর্মসূচি প্রকৃতপক্ষে “ভোট চুরির নতুন কৌশল”। তার মতে, কমিশনের পক্ষপাতিত্বের কারণে ভারতের গণতন্ত্রে ক্ষতি হচ্ছে। রাহুল বিশেষভাবে তিন শীর্ষ নির্বাচন কমিশনার—জ্ঞানেশ কুমার, সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশি—কে লক্ষ্য করেছেন।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, “আজ মোদিজির সরকার ক্ষমতায় আছে। কিন্তু আগামী দিনে যদি ইন্ডিয়া জোট ক্ষমতায় আসে, তাহলে এই তিন কমিশনারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবও রাহুলের পাশে দাঁড়িয়ে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
বিরোধীরা অভিযোগ করেছেন, কমিশন শুধু রাহুল গান্ধীর কাছ থেকে হলফনামা চেয়েছে, কিন্তু বিজেপি নেতাদের ক্ষেত্রে একইভাবে হয়নি। এই পরিস্থিতি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ন্যায়সংগত চরিত্র নিয়ে বিতর্ককে আরও জটিল করেছে।
ভারতের জাতীয় রাজনীতির এই টানাপোড়েন শুধু দিল্লি নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। কারণ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে ভোটার তালিকা সংশোধন এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা সবসময়ই সংবেদনশীল। রাহুলের কড়া সুর ইঙ্গিত দিচ্ছে, আগামী লোকসভা নির্বাচনের পথে রাজনৈতিক সংঘাত আরও ঘনীভূত হবে।