শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় আবেদন শুরু ১ সেপ্টেম্বর, জানালো বাংলাদেশ ব্যাংক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬১ পড়া হয়েছে
ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় আবেদন শুরু ১ সেপ্টেম্বর, জানালো বাংলাদেশ ব্যাংক

ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় আবেদন শুরু ১ সেপ্টেম্বর, জানালো বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশে আবারও ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এ লক্ষ্যে আবেদনপত্র আহ্বান করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে বলে মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক খাতে বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো আর্থিক খাতের দক্ষতা বৃদ্ধি, সেবার বিস্তার এবং ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (সিএমএসই) অর্থায়নের সুযোগ আরও সহজ করা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুযোগ কাজে লাগিয়ে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি—এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ঋণপ্রবাহ সহজ করা এবং তাদের আর্থিক সেবার আওতায় আনা ডিজিটাল ব্যাংকের একটি বড় হাতিয়ার হবে।

আবেদনকারীদের নির্ধারিত প্রস্তাবপত্রের সঙ্গে ৫ লাখ টাকা (অফেরতযোগ্য) ফি জমা দিতে হবে। এ অর্থ যেকোনো তফসিলি ব্যাংক থেকে ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে জমা দিতে হবে। শর্ত পূরণ না হলে আবেদন বাতিল হবে। আবেদনপত্র সরাসরি জমা দেওয়ার পাশাপাশি ই-মেইলের মাধ্যমেও নথি জমা দেওয়া যাবে। বিস্তারিত নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বৈশ্বিক আর্থিক খাতে ধারাবাহিক প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ফলে ব্যাংকিং খাতের চিত্র বদলে গেছে। তাই আর্থিক খাতে কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও সেবার পরিসর বিস্তারে ডিজিটাল ব্যাংককে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা প্রণয়ন করে। তখন ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয় ১২৫ কোটি টাকা। তবে সম্প্রতি তা বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রচলিত ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে প্রয়োজন ৫০০ কোটি টাকা।

নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক পরিচালনায় শুধুমাত্র প্রধান কার্যালয় থাকবে, তবে শাখা, উপশাখা, এটিএম বা ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিন (সিআরএম) থাকবে না। অর্থাৎ এই ব্যাংকের সব সেবা হবে অ্যাপনির্ভর, মুঠোফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে।

আগের সরকারের সময় ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তখন ৫২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। এর মধ্যে “নগদ” ও “কড়ি” নামে দুটি ব্যাংক অনুমোদন পায়। তবে অর্থায়ন সংক্রান্ত জটিলতায় সেই উদ্যোগ আর এগোয়নি।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024