বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি বিশেষ দল এই অভিযান পরিচালনা করছে। উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, ডা. মোস্তফার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অসাধু প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার জন্য ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।
জানাগেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ডা. মোস্তফা এই সমন্বয়ক গ্রুপকে নগদ এবং চেক প্রদান করেন। গ্রুপটি নিজেদের “যমুনা থেকে আগত” হিসেবে পরিচয় দেয়। লেনদেনের সময় আরিফুল ইসলাম একজন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন এবং চেকগুলো সরাসরি ডা. মোস্তফার চেম্বার থেকে সংগ্রহ করেন। যদিও সমন্বয়ক আরেফিন সরাসরি উপস্থিত ছিলেন না, তিনি ফোনে যোগাযোগ রাখেন।
অপরদিকে, ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা গণমাধ্যমে দাবি করেছেন, অভিযোগকারীরা তাকে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক চেকে স্বাক্ষর করিয়েছে। তিনি বলেন, “চেকগুলো সিকিউরিটি চেক ছিল এবং চেক নেওয়ার সময় অফিসে সম্ভবত তাদের হাতে অস্ত্র ছিল।”
এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।