চট্টগ্রামে ক্রিকেটের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো আঞ্চলিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। চট্টগ্রাম বিভাগের মোট ১১ জেলা দল এতে অংশ নিচ্ছে।
বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দেশের ক্রিকেটকে বিকেন্দ্রীকরণ ও তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। রাজশাহী ও চট্টগ্রামে আংশিকভাবে আঞ্চলিক ক্রিকেট চালুর সিদ্ধান্ত সেই পরিকল্পনারই অংশ। এর পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহরে কোচেস ট্রেনিং, জুনিয়র ক্রিকেট কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিসিবি সভাপতি বলেন,
“ক্রিকেটের বিকেন্দ্রীকরণ মানে শুধু প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট নয়। প্রতিটি জেলায় যেন নিজস্ব ক্রিকেট সত্তা প্রস্ফুটিত হয়, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আগামী দিনের তামিম, সাকিব বা মুশফিকরা এখন স্কুলে পড়ছে। তাদের তুলে আনার দায়িত্ব আমাদের। আকরাম খান ও তার টিম এই কাজ শুরু করেছেন। প্রত্যেক জেলা যেন নিজেদের শক্তিশালী ক্রিকেট কাঠামো গড়ে তুলতে পারে, সেখান থেকে শুধু একটি দল নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ ক্রিকেট পরিবার তৈরি হবে—ফিজিও, ট্রেনার, সাপোর্ট স্টাফসহ।”
তৃণমূল পর্যায়ের ক্রিকেট নিয়ে বিসিবি সভাপতির বাড়তি পরিকল্পনাও আছে। তিনি বলেন,
“স্কুল ক্রিকেট অনেক দিন ধরে চলছে। তবে এবার আমরা ভিন্নভাবে আয়োজন করব। স্কুলগুলো শুধু খেলবে না, বরং এখান থেকেই নতুন ফ্যানবেস তৈরি করব। সেই প্রক্রিয়া থেকেই উঠে আসবে আগামী দিনের সুপার ট্যালেন্ট।”
বুলবুলের মতে, বিকেন্দ্রীকরণের অর্থ হলো—প্রতিটি জেলা যেন শুধু প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলেই থেমে না থাকে, বরং একটি ক্রিকেট পরিবার গড়ে তোলে। চট্টগ্রামের এই আঞ্চলিক টুর্নামেন্ট সেই দিকের এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই দেশের অন্যান্য অঞ্চলও এই উদ্যোগ অনুসরণ করবে।