শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল বৃদ্ধি প্রস্তাবে ব্যবসায়ীদের তীব্র প্রশ্ন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ১০১ পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল বৃদ্ধি

চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল বৃদ্ধি প্রস্তাবে ব্যবসায়ীদের তীব্র প্রশ্ন

চট্টগ্রাম বন্দরের সেবার ট্যারিফ বা মাশুল এক ধাক্কায় গড়ে ৪১ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ব্যবসায়ী নেতারা। তাদের অভিযোগ, বন্দর কর্তৃপক্ষ মূলত নিজেদের ঋণের বোঝা কমাতে ব্যবসায়ীদের কাঁধে অযৌক্তিকভাবে চাপিয়ে দিচ্ছে এই অতিরিক্ত খরচ।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে— জাইকা থেকে নেওয়া ঋণসহ বিভিন্ন প্রকল্পের দায়দেনা পরিশোধ এবং অপারেশনাল ব্যয় সামলাতেই মাশুল বৃদ্ধির এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে— বন্দর কর্তৃপক্ষের ঋণের দায় কেন ব্যবসায়ীদের বহন করতে হবে?

বর্তমানে দেশের ৯২ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। আমদানির মধ্যে খাদ্যশস্য, সার, জ্বালানি তেল, ভোজ্যতেল, সিমেন্ট, কয়লা, চিনি, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রয়েছে। আর রপ্তানির বড় অংশই তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, চা এবং হিমায়িত খাদ্যপণ্য। ফলে মাশুল বৃদ্ধি সরাসরি ভোক্তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়াবে এবং রপ্তানির প্রতিযোগিতা কমিয়ে দেবে।

ব্যবসায়ী মহলের দাবি, চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান আয়-ব্যয়ের হিসাবেই মাশুল বৃদ্ধির যৌক্তিকতা নেই। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বন্দরটির আয় হয়েছে ৫ হাজার ২২৭ কোটি টাকা, ব্যয় হয়েছে মাত্র ২ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রায় ২ হাজার ৯১৩ কোটি টাকার মুনাফা করেছে বন্দর। এই বিপুল মুনাফা থাকার পরও হঠাৎ মাশুল বাড়ানো ব্যবসায়ী ও জনস্বার্থের পরিপন্থী।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমানে দেশের অর্থনীতি এক ধরনের স্থবিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। এর মাঝে বন্দর সেবার মাশুল বৃদ্ধি হলে তা হবে “মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা”— যা মূল্যস্ফীতি আরও বাড়াবে এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তাদের দাবি, চট্টগ্রাম বন্দর একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। তাই সর্বনিম্ন খরচে মানসম্মত সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিকে অক্ষুণ্ণ রেখে প্রস্তাবিত মাশুল বৃদ্ধির উদ্যোগ থেকে সরে আসাই হবে সময়ের দাবি।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024