রাশিয়া নৌ-ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনের নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দানুবে নদীর প্রবেশমুখে ‘সিম্ফারোপোল’ নামের জাহাজটিতে এ হামলা চালানো হয়।
ইউক্রেনের গণমাধ্যমগুলোও হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যদিও জাহাজটির নাম উল্লেখ করা হয়নি। এ ঘটনায় ইউক্রেন নৌবাহিনীর মুখপাত্র দিমিত্রো প্লেটেনচুক জানান, হামলায় একজন নাবিক নিহত হয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। এছাড়া কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে তিনি জাহাজ ডুবে যাওয়ার বিষয়টি সরাসরি স্বীকার করেননি। তার ভাষায়, “জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এবং ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা চলছে।”
এটি একটি মিডিয়াম নজরদারি যুদ্ধজাহাজ।
রেডিও-ইলেকট্রনিক গোয়েন্দা তৎপরতায় ব্যবহারের জন্য প্রজেক্ট “লাগুনা”-এর আওতায় ৫০২ইম ট্রলার প্রকল্পে এটি তৈরি করা হয়।
২০১৯ সালে জাহাজটি প্রথমবার পানিতে নামানো হয় এবং ২০২১ সালে নৌবাহিনীর আনুষ্ঠানিক সেবায় যুক্ত হয়।
মূলত গোয়েন্দা নজরদারি পরিচালনা ও নৌবাহিনীর সামরিক অভিযানে সহায়তা করাই এর প্রধান কাজ।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেনের কোনো যুদ্ধজাহাজে হামলার ক্ষেত্রে রাশিয়া এবারই প্রথম নৌ-ড্রোন ব্যবহার করল। এতে যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ হলো বলে আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে।
এদিকে একই রাতে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালায় রাশিয়া। এতে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশ এ ঘটনায় কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, “শান্তি আলোচনার নামে রাশিয়া শুধু ফাজলামো করছে।”
সূত্র: আরটি