শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

বাংলাদেশে সংস্কার কি পথ হারাচ্ছে? দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের প্রশ্ন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৩ পড়া হয়েছে
বাংলাদেশে সংস্কার কি পথ হারাচ্ছে? দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের প্রশ্ন

বাংলাদেশে সংস্কার কি পথ হারাচ্ছে? দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের প্রশ্ন

বাংলাদেশের ওপর দিয়ে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ঝড় বয়ে যাচ্ছে, আর তার প্রভাব মানুষের জীবনে গভীরভাবে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি প্রশ্ন তোলেন— অন্তর্বর্তী সরকার কি সংস্কারের পথে দিক হারিয়ে ফেলেছে?

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে “বাংলাদেশ রিফর্ম ওয়াচ” নামের নতুন উদ্যোগের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থনীতি নিয়ে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান। এ ছাড়া রাজনৈতিক নেতা, অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন,

“অন্তর্বর্তী সরকারের শুরুতে আমরা সংস্কার কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছিলাম। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস অনেকটাই স্তিমিত হয়ে গেছে। এটা কি আকাঙ্ক্ষার অভাব, নাকি স্বার্থের সংঘাত, নাকি অন্য কিছু? এই প্রশ্ন এখন বড় হয়ে সামনে আসছে।”

তিনি আরও বলেন, সংস্কারের কারিগরি জ্ঞান অনেক বিশেষজ্ঞ দিতে পারেন, কিন্তু বাস্তবায়ন আলাদা বিষয়। তাই সামাজিক কণ্ঠস্বরকে সামনে এনে সংস্কারের চাহিদা তৈরির জন্যই এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সংস্কারের ব্যাপারে সবার প্রত্যাশা ছিল অনেক। কিন্তু প্রশ্ন হলো— এক বছরে সেই সংস্কার কতটা এগোল? অন্তর্বর্তী সরকার তার অবশিষ্ট সময়ে কতটুকু এগোতে পারবে? রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে সংস্কারের প্রতিফলনই বা কতটুকু থাকবে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সেলিম রায়হান বলেন, সংস্কার নিয়ে আলোচনা বহুদিন ধরেই আছে। তবে প্রশ্ন হলো— “যারা সংস্কার করবেন, তারা আসলেই বিষয়টি কতটা অনুধাবন করছেন?” তার মতে, রাষ্ট্র ও সরকারের সক্ষমতা, ইচ্ছা, এবং আমলা-ব্যবসায়ী-রাজনৈতিক এলিটদের বিরোধিতা— সবকিছুই সংস্কার বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ।

সিপিডির আরেক সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অতীতে অনেক সংস্কার কার্যক্রমই বাস্তবায়িত হয়নি। এবারও প্রশ্ন রয়ে গেছে— সফলতা আসবে তো? তবে তিনি আশাবাদী, এবার ব্যাপক অংশগ্রহণ থাকায় ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব।

সেমিনারে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের অন্যান্য প্রতিনিধিরাও সংস্কার কার্যক্রমে জনগণের সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024