বাংলাদেশে যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান, মর্যাদা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং জাতীয় অগ্রগতিতে সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ।
তিনি এ কথা বলেন ইউসেপ বাংলাদেশ আয়োজিত জেন্ডার ডাইভার্স কমিউনিটি এবং জুলাই ২০২৪ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী যুবকদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে নেওয়া দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।
এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো অংশগ্রহণকারীদের মানসম্মত কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষার মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি করা। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা শুধু অর্থনৈতিক সুযোগই পাবেন না, বরং আত্মমর্যাদা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি অর্জনের সুযোগও পাবেন।
প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত থাকবে—
কেয়ারগিভিং
জাপানি ভাষা শিক্ষা
গ্রাফিক ডিজাইন
এছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউসেপ বাংলাদেশের উইমেন্স কর্নার চালু করা হয়, যা নারীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শারমিন এস মুরশিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাইদুর রহমান খান। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ইউসেপ বাংলাদেশের চেয়ারপার্সন ড. ওবায়দুর রব।
ড. আবু ইউছুফ বলেন, “ইউসেপ বাংলাদেশের এই কর্মসূচি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগ দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখবে।”
উল্লেখ্য, ৩০ জুন ইউসেপ বাংলাদেশ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর আওতায় জুলাই–আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ও কোটা সংস্কার আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২০০ জন যুবক-যুবতীকে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে। প্রকল্পটি আগামী দুই বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হবে।
প্রধান অতিথি শারমিন এস মুরশিদ বলেন, “ইউসেপ বাংলাদেশের এই উদ্যোগ সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নের জন্য একটি মাইলফলক। দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি শুধু কর্মসংস্থান নয়, বরং মর্যাদা ও জাতীয় উন্নয়নে সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে।”