শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ নেতিবাচক, স্থবির হচ্ছে দেশের অর্থনীতি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৮ পড়া হয়েছে
বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ নেতিবাচক, স্থবির হচ্ছে দেশের অর্থনীতি

বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ নেতিবাচক, স্থবির হচ্ছে দেশের অর্থনীতি

দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি বেসরকারি খাত এখন বড় ধরনের সংকটে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য—ঋণপ্রবাহ শুধু কমছেই না, বরং নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির দিকে নেমে গেছে।

গত জুনের তুলনায় জুলাই মাসে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে কোনো প্রবৃদ্ধি হয়নি। বরং তা পাঁচ মাস পর আবারও নেতিবাচক অবস্থায় চলে যায়। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে এবং গত বছরের জুলাই মাসেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ফলে শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে এক ধরনের স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জনেও।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের অভাব, ব্যাংকগুলোর আর্থিক দুর্বলতা ও ভুল নীতির কারণে এ সংকট তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতারাও বলছেন, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি নতুন বিনিয়োগে বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। তারা মনে করেন, এই অবস্থায় বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ স্বাভাবিকভাবে বাড়বে না, বরং আরও কমতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ২০২০ সালে করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকেই বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহে মন্দাভাব চলছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যাংক খাতে ব্যাপক লুটপাট, যা ব্যাংকগুলোর সক্ষমতাকে দুর্বল করে দিয়েছে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের নামে চালু করা সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি ব্যবসা-বাণিজ্যে আরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এমন প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থনীতির প্রাণশক্তিকে সচল রাখতে হলে সরকারকে দ্রুত কার্যকর নীতি গ্রহণ করতে হবে। ব্যাংক খাতকে শক্তিশালী করা, আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি এবং বেসরকারি খাতে অর্থের জোগান বৃদ্ধি করা ছাড়া এই সংকট উত্তরণ সম্ভব নয়। অন্যথায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান উভয়ই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024