শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

কাকরাইল মোড়ে ‘শুয়ে পড়েছেন’ ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৫৪ পড়া হয়েছে

আজ রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় সামনে যেতে চেয়েছিলেন তারা। কিন্তু পুলিশের বাধার মুখে সোয়া ১টার দিকে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে বসে পড়েন মঞ্চের নেতারা।

মিছিলটি মৎস্যভবন হয়ে দুপুর একটার দিকে কাকরাইল মসজিদ মোড়ে এলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে। এ সময় পুলিশ ও এপিবিএন এর সদস্যদের যমুনা অভিমুখে যাওয়ার রাস্তার দুই পাশেই ব্যারিকেড দিতে দেখা যায়। পরে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা ডানপাশের রাস্তার একপাশে বসে পড়েন।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি বলেন, জুলাই আন্দোলনে ছাত্রজনতার জীবনের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। যেখানে আমাদের শোনার কথা খুনি আওয়ামী লীগের বিচার হচ্ছে, সেখানে আমাদের শুনতে হচ্ছে ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়াদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া পাঁচ জনকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ এসব হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, আমরা শুনেছি, সেনানিবাসে ৬২৬ জন ছিল। তাদেরকে পালাতে দিয়েছে? যারা পালাতে দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না কেন? ওবায়দুল কাদের ৩ মাস দেশে ছিলেন, অথচ তাকে ধরা হয়নি। পালিয়ে যেতে দেয়া হয়েছে। আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা বুঝি না। আমরা ড. ইউনূসকে বুঝি। আপনাকে জবাব দিতে হবে কেন তাদের পালিয়ে যেতে দেয়া হলো।

তিন দফা দাবি-
১. গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগের নিবন্ধন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
২. সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগের গুপ্ত হত্যা থেকে দেশপ্রেমিক ছাত্র জনতাকে বাঁচাতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্র থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত কমিটিতে থাকা সকল সন্ত্রাসীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩. প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশের সকল জুলাই যোদ্ধাদের জীবনের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

আন্দোলনকারীরা বলেন, আমরা নিরাপত্তাসহ ৩ দাবি জানিয়েছি। পুলিশ আমাদের এখানে অবস্থান করার অনুরোধ করেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত উপদেষ্টাদের কেউ এসে আমাদের দাবির কাগজ না নিয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ আমরা অবস্থান করবো।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024