শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

ডিম-মুরগির বাজারে স্বস্তি ফেরাতে ভাঙতে হবে সিন্ডিকেট

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৭৯ পড়া হয়েছে

ডিম এবং মুরগির বাজারে চলমান অস্থিরতার জন্য কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর ফিড ও মুরগির বাচ্চার সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছে বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ খান মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি সুমন হাওলাদার জানান, যতদিন এই সিন্ডিকেট ভাঙা না হবে, ততদিন বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে না।

তিনি বলেন, দেশের ডিম ও মুরগির ৮০ শতাংশ উৎপাদন করেন প্রান্তিক খামারিরা, যেখানে কর্পোরেট গ্রুপগুলোর অবদান মাত্র ২০ শতাংশ। তবে কর্পোরেট গ্রুপগুলোর বাজার নিয়ন্ত্রণের কৌশল প্রান্তিক খামারিদের টিকে থাকা কঠিন করে তুলেছে। প্রান্তিক খামারিদের তুলনায় কর্পোরেট গ্রুপগুলো কম খরচে ডিম ও মুরগি উৎপাদন করে বাজারে দখলদারিত্ব করছে। এর ফলে প্রান্তিক খামারিরা উৎপাদন খরচের তুলনায় লাভ করতে না পেরে ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

সুমন হাওলাদার অভিযোগ করেন, কর্পোরেট গ্রুপগুলোর একচেটিয়া আধিপত্য পোলট্রি শিল্পের মেরুদণ্ড প্রান্তিক খামারিদের ধ্বংস করছে। ফিড ও মুরগির বাচ্চার অযৌক্তিক মূল্য বৃদ্ধি খামারিদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তিনি বলেন, ফিড ও বাচ্চার দাম বাড়লেও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না, যা প্রান্তিক খামারিদের সংকটে ফেলে দিচ্ছে।

আসন্ন রমজান মাস উপলক্ষে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বিপিএর উদ্যোগে আগামী ১২ জানুয়ারি থেকে ঢাকা শহরের ২০টি পয়েন্টে সীমিত লাভে ডিম, ফ্রোজেন মুরগি এবং অন্যান্য কৃষিপণ্য বিক্রির কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তী সময়ে এই কার্যক্রম ১০০টি পয়েন্টে বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংগঠনটি সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি তুলে ধরেছে। এতে কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম ফিড ও বাচ্চা উৎপাদনে সীমাবদ্ধ রাখা, ফিড ও বাচ্চার সিন্ডিকেট ভেঙে সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করা, খামারিদের ন্যায্য মূল্য ও ভর্তুকি প্রদান, কর্পোরেট কোম্পানির একচেটিয়া ব্যবসা রোধ, এবং প্রান্তিক খামারিদের জন্য আলাদা বাজার ব্যবস্থার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রান্তিক খামারিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে না পারলে কর্পোরেট গ্রুপগুলো বাজারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে, যা পুরো পোলট্রি শিল্পের জন্য ক্ষতিকর হবে। খামারিদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে বিপিএর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিলে পোলট্রি খাতের সংকট কাটিয়ে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024