শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

উচ্চ ফলনেও লাগামছাড়া দাম

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৮৬ পড়া হয়েছে

আজ সবজি, কাল বিদ্যুত, পরশু গ্যাসের দাম বৃদ্ধি। এবার সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে নতুন মাত্রায় যোগ হয়েছে চালের দাম। যোগান যদি বাড়ে, দাম নাকি কমে। এখন বাস্তবতা বলে অন্য কথা। যোগান বাড়লেও দাম বাড়ে, চাহিদা বাড়লেও দাম বাড়ে। স্বল্প আয়ের একটি পরিবার কিভাবে তাদের দৈনন্দিন চাহিদা মিটাবে, ভাবতেই কষ্ট লাগে। গরীব পরিবারে মিনিকেট, নাজিরশাইল, বাসমতী চাল শুধু নামই শুনে যেতে হবে, যেখানে মোটা চালের দাম এত বেশি। শুধু কি চাল? খেতে গেলে নুন, ডাল, মাছ সবজি আরো কতো কি যোগাড় করতে হয়। পরিবারের প্রতি সদস্যদের ভরণপোষণ, ঔষধের টাকা, এগুলোর আওতায়। বাজার মনিটরিং করলে দুই একদিন ঠিক থাকে হয়তোবা, তারপর যেই লাউ সেই কদু। সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম আর মিল মালিকদের কারসাজিতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জীবন কষ্টে জর্জরিত। বাজার নিয়ন্ত্রণে সবাই ব্যর্থ। আসলে গরিবের কষ্টের না আছে দাম, শুধু কর্মে ঝরে ঘাম। বিত্তবানদের এগুলো নিয়ে কি আদৌ আছে কোন মাথাব্যথা। সরকারের পক্ষ থেকে বলছে আমনের মৌসুমে আমদানি বাড়ছে, দাম কমবে, ধৈর্য্য ধরুন। প্রশ্ন হলো আর কত? গরীবকে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা বিত্তবানদের এমনটা: দয়া করে ধৈর্য্য ধারণ করুন। সময়ের সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে যাবে। আসলে কি আমাদের জীবনে এমন কিছু হয়েছে? না খেয়ে পরিবারের সদস্যদের এমন করুণ অবস্থা, কিভাবে চোখে দেখে ঠিক থাকা যায়। সরবরাহ যদি স্বাভাবিক থাকে, তাহলে চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে কিভাবে? খবরের কাগজে বড় অক্ষরে লেখা, ‘আমনের বাম্পার ফলন’।
আজ পাকিস্তান, কাল ভারত, পরশু মিয়ানমার। এত এত চাল যদি আমদানি হয়, তাহলে চালের দাম কোন যুক্তিতে বৃদ্ধি পায়। শুধু কি পাইকারি বাজার, খুচরা বাজারেও প্রতি কেজি চাল বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এখন তো বাজারে গেলেই মাথা গরম, পকেট ফাঁকা, কি যে একটা নাজেহাল অবস্থা। চাল ব্যবসায়ীদের ভাষ্য মতে আমন মৌসুমে প্রত্যাশিত মাত্রায় চাল না পাওয়ায় বাজারের এই অবস্থা। তাছাড়া গত আগস্টে আকস্মিক বন্যায় আমন ধানের রোপণে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। বাংলাদেশের ফেনী, নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি এবং কৃষি উৎপাদনে বিপর্যয়। তাছাড়া ধান কেনার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় দাম বেশি বলে জানান ব্যবসায়ীরা। আর এর প্রভাব পড়ে চালের দামে। শুধুমাত্র একটা অজুহাত, যে কোন জিনিসের দাম নিজের মনের মতো বাড়ানো একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে আমাদের বাজার ব্যবস্থায়। যত সমস্যা এই গরীব মধ্যবিত্ত পরিবারের। রাশ টেনে ধরার কে আছে? সব জায়গাতেই দুর্নীতি আর দখলদারি। আদৌ কি এই সমস্যার সমাধান হবে ?
তবু বলবো সরকার যেন আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে জিনিসপত্রের মূল্য কমানোর দিকে নজর দেন। আমাদের ব্যয় বাড়ে প্রতিনিয়ত, কিন্তু আয় তো বাড়ে না। দুমুঠো ভাতে যেন বেঁচে থাকা যায়, কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

উত্তরা, ঢাকা থেকে

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024