শিরোনাম :
বিএনপি পন্থী কৃষিবিদ সংগঠনে আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের তৎপরতা! পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতের কোম্পানি বাড়াতে সেমিনার করবে বিজিএমইএ ৫০ কোটি টাকা কর ফাঁকি : সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দ বিকাশ থেকে ব্যাংক, ব্যাংক থেকে রকেট: এক প্ল্যাটফর্মে হবে সব লেনদেন জবিতে এনআরবিসি ব্যাংকের আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাংলাদেশ আরটিজিএস ব্যবস্থায় নতুন লেনদেন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ রপ্তানি এলসি কমেছে ১১.১১%, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাসের প্রভাব আগোরা লিমিটেড অ্যাকাউন্টস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ইসলামী ব্যাংক শুদ্ধি অভিযান: ৪০০ কর্মী চাকরি হারালেন, দক্ষতা যাচাইয়ের অংশ চট্টগ্রাম বন্দর ট্যারিফ বৃদ্ধি: ১৪ অক্টোবর থেকে নতুন হারে কনটেইনার হ্যান্ডলিং খরচ বৃদ্ধি

ট্রাম্পের জন্য রেখে যাওয়া চিঠিতে কী লিখেছেন বাইডেন?

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৮০ পড়া হয়েছে

মার্কিন রাজনীতির ঐতিহ্য অনুসারে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার উত্তরসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য চিঠি রেখে গিয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার (২০ জানুয়ারি) ওভাল অফিসে ফিরে প্রথম নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার সময় ট্রাম্প চিঠিটি পান এবং সাংবাদিকদের সামনে এর বিষয়বস্তু পড়ে শোনান।

ট্রাম্পকে ‘প্রিয় প্রেসিডেন্ট’ সম্বোধন করে জো বাইডেন লিখেছেন, ‘এই মহান দায়িত্ব থেকে বিদায় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি আপনাকে এবং আপনার পরিবারের আগামী চার বছরের জন্য শুভকামনা জানাচ্ছি। আমেরিকার জনগণসহ বিশ্বের মানুষ অনিবার্য যেকোনও ঝড়ের মধ্যে স্থিতিশীলতার জন্য এই হাউসের (হোয়াইট হাউস) দিকে তাকিয়ে আছে। আমি প্রার্থনা করি আগামী বছরগুলো আমাদের জাতির জন্য সমৃদ্ধি ও শান্তির হবে। ’

বাইডেন আরও লিখেছেন, ‘সৃষ্টিকর্তা আপনাকে আশীর্বাদ করুন এবং আপনাকে পথ দেখান যেমন তিনি আমাদের প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমাদের প্রিয় দেশকে আশীর্বাদ এবং নির্দেশনা দিয়েছেন।’

ক্ষমতাগ্রহণের পরদিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চিঠিটি সম্পর্কে তার অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটি একটি খুব সুন্দর চিঠি ছিল। কিছুটা অনুপ্রেরণামূলক চিঠি। এটি উপভোগ করুন। ভালো কাজ করুন। ভালো কাজ করা ততটাই গুরুত্বপূর্ণ যতটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা। ’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘চিঠিটি লেখার সময় তিনি (জো বাইডেন) খুব ইতিবাচক ছিলেন। আমি চিঠির প্রশংসা করছি। ’

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ১৯৮৯ সালে এই চিঠি বিনিময়ের প্রথা চালু করেছিলেন। তিনি তার উত্তরসূরি জর্জ ডব্লিউ বুশের জন্য একটি মজার নোট লিখেছিলেন। ওই চিঠিতে ছিল টার্কি পরিবেষ্টিত এক হাতির ছবি, এবং তাতে লেখা ছিল-‘টার্কিগুলো যেন তোমাকে হতাশ না করে।’

এরপর থেকেই প্রত্যেক বিদায়ী প্রেসিডেন্ট তার উত্তরসূরির জন্য ব্যক্তিগত বার্তা রেখে যান। যেখানে ভালোবাসা, শুভকামনা এবং প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করা হয়।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024