ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার নিবন্ধন করা প্রতিষ্ঠান বা একেবারেই অস্তিত্বহীন কোম্পানির নামে ঋণ নেওয়া হয়েছে। ব্যাংক খাতে সাতটি বড় শিল্প গ্রুপের কমপক্ষে পৌনে দুই লাখ কোটি টাকার বেনামি ঋণের সন্ধান মিলেছে।
পতিত শেখ হাসিনা সরকারের প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে দেশ থেকে প্রায় আড়াই থেকে তিন লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। গত ডিসেম্বরে প্রকাশিত অর্থনৈতিক শ্বেতপত্রে যার পরিমাণ ২৮ লাখ কোটি
অপরিশোধিত ভোজ্যতেল আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি পর্যায়ে ৫ শতাংশ আগাম কর (এটি) অব্যাহতি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বুধবার (১৬ এপ্রিল) এনবিআরের প্রথম সচিব (মূসক নীতি) মো. মসিউর রহমান স্বাক্ষরিত আদেশে
তিন মাস অন্তর অন্তর বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোতে (সিআইবি) ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের যাবতীয় তথ্য দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার এ–সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রবিধি ও
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বড় উত্থানের পর বড় দরপতন, এরপর আবার বড় উত্থান। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পালটাপালটি শুল্ক আরোপের পরিপ্রেক্ষিতে এ ঘটনা ঘটছে। এতে বিশ্ববাজারে প্রথমবার প্রতি
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবার এবং ১০ শিল্পগোষ্ঠীর প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার শেয়ার জব্দ করেছেন আদালত। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা তাদের প্রায় চার হাজার কোটি
গুলশানে পদ্মা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে জমানো টাকা ফেরত চেয়ে মানববন্ধন করেছেন ব্যাংকটির অন্তত এক ডজনেরও বেশি আমানতকারী। মঙ্গলবার দুপুরে এই মানববন্ধন করেন তারা। গ্রাহকরা টাকা ফেরতের দাবির পাশাপাশি ব্যাংকের
২০২৪ সালে দেশের ব্যাংকগুলো করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয় করেছে ৬১৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। বছরের প্রথমার্ধের চেয়ে শেষ ছয় মাসে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ব্যয় কিছুটা কমেছে। তবে শেষ ছয়
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সরকার কাজ করছে। দুই দেশের মধ্যে যে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে, তা দ্রুত কমার কোনো সুযোগ নেই। বুধবার (১৬ এপ্রিল)
সরকারের ব্যয় ও আয়ের মধ্যে ঘাটতি কম রেখে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণসহ সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রয়োজনে নজিরবিহীন আগের অর্থবছরের চেয়ে ছোট বাজেট দিতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। আওয়ামী লীগের সময় অর্থবছর ঘুরলেই যে