বিদ্যুৎ খাতে প্রতিযোগিতা না থাকা ও গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠানের একচ্ছত্র আধিপত্যের কারণে আমাদের বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে। উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ছাড়া জ্বালানিখাতে আর এখন থেকে কোনো দরপত্র আহ্বান করা হবে না
ভারতযদি মনে করে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করবে, করুক। আমাদের কোন সমস্যা নেই, ব্যবসা বন্ধ করলে ভারতই অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের নৌপরিবহণ, শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার
বেক্সিমকোসহ বড় বড় কোম্পানিগুলোর ব্যালেন্স শিটে টাকা থাকলেও বাস্তবে দেশে টাকা নেই। সব টাকা দেশের বাইরে চলে গেছে। ব্যাংকে জনগণ টাকা রেখেছে। কিন্তু ব্যাংকের টাকা দেশে নেই। কিন্তু এই টাকা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শুল্ক কমানোর পরেও পণ্যের দাম না কমা সরকারের জন্য উদ্বেগের। তিনি বলেন, বাজারে পণ্যের সরবরাহ একেবারে কম নয়, তবে সাপ্লাই চেইন নষ্ট হয়ে যাওয়ায়
বাজার থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেল রীতিমতো উধাও হয়ে গেছে। বিশেষ করে, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এক থেকে দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল নেই বললেই চলে। ক্রেতারা বাজারে একাধিক দোকান খুঁজে দুই-একটি বোতলজাত
ব্যাংক ঋণে সুদহার বৃদ্ধিতে সংকটে পড়েছে ফলে ব্যবসা প্রসারসহ থমকে রয়েছে নতুন বিনিয়োগ। ব্যবসা ও বিনিয়োগে খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বেশির ভাগ উদ্যোক্তা। তারা বলছেন, তাদের টিকে থাকার লড়াই
করোনা সংক্রমণের আগে থেকেই দেশের অর্থনীতিতে মন্দা চলছে। ২০২০ সালে করোনার সংক্রমণের পর আরও খারাপ অবস্থায় পড়ে অর্থনীতি। ২০২২ সালে বৈশ্বিক মন্দা দেখা দিলে দেশের অর্থনীতিতেও এর প্রভাব প্রকট আকার
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিনকে দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ব্যবসায়িক লেনদেন ঠিক রাখার জন্য তাই মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত
ব্যাংকগুলোতে তারল্যের জোগান বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রাবাজার থেকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। গত বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কেনা ট্রেজারি বিল ও বন্ড বন্ধক রেখে ঋণ দিয়েছে ২ হাজার ৩৭৮
শীতে শাকসবজিসহ প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্যের উৎপাদন বাড়ে। সরবরাহ পরিস্থিতিও থাকে স্বাভাবিক। ফলে পণ্যের দাম কমে। এতে মূল্যস্ফীতিও কমে যায়। কিন্তু এবার হয়েছে উলটো চিত্র। শীতের সবজির ভর মৌসুমেও খাদ্য