দেশের ব্যাংক খাতের বিষফোঁড়া খ্যাত খেলাপি ঋণ। প্রতিনিয়ত এটা বাড়ছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে খেলাপি ঋণের তথ্য গোপন করা হয়েছিল। যা এখন বেরিয়ে আসছে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। বর্তমানে ব্যাংকিং
অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ৫৩ হাজার কোটি টাকা লুট করেছেন বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমান। এর মধ্যে জনতা ব্যাংক থেকেই নিয়েছেন ২৩ হাজার কোটি টাকা।
দেশের বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে অতিরিক্ত ৩ কোটি মার্কিন ডলার অর্থায়ন করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ ৩৬৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩৮ পয়সা ধরে)।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চলমান ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের চতুর্থ কিস্তি ছাড়ের বিষয়টি আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদের সভায় উঠার কথা ছিলো। তবে সংস্থাটির বোর্ড সভা পিছিয়ে নতুন তারিখ
দেশের আর্থিক খাতে ব্যাপক অনিয়মে জড়িত বেক্সিমকো গ্রুপের লে-অফ থাকা গার্মেন্টস ও এর সাথে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান সচল করতে সরকারকে ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ঋণের বিপরীতে
দেশে ডলারের সংকট এখনো কাটেনি। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে আবারও দুই হাজার কোটি ডলারের নিচে নেমেছে। প্রতিদিন রিজার্ভ কমছে ২ কোটি ২২ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ
‘পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ প্রকল্প (২য় পর্যায়) (সিআইবিআরআর-২)’ শীর্ষক প্রকল্পের বিপরীতে ৫ম বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগ সুকুক ইস্যুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী মার্চ মাসে আলোচ্য এ প্রকল্পটির বিপরীতে ৩
২০২৪-২৫ অর্থবছরের শুরু থেকেই ধারাবাহিকভাবে কমছে শিক্ষার্থীদের সঞ্চয়। এক মাসের ব্যবধানে স্কুল ব্যাংকিংয়ে সঞ্চয় কমেছে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা। আর গত পাঁচ মাসে সঞ্চয় কমেছে প্রায় ২৮৫ কোটি টাকা। বাংলাদেশ
নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় মূলধন ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড। জুন ২০২৪ এর আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে ব্যাংকটি ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের বিপরীতে পর্যাপ্ত মূলধন রিজার্ভ বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। গত
ভালো ও মন্দ ঋণের বিপরীতে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রভিশন (নিরাপত্তা সঞ্চিতি) রাখতে পারছে না সরকারি ও বেসরকারি খাতের ১০টি ব্যাংক। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর শেষে এসব ব্যাংকে মোট প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ৫৬