বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকারদের বিদেশযাত্রায় সব ধরনের বাধা উঠিয়ে নিয়েছে। ফলে এখন থেকে তাদের বিদেশে ভ্রমণে আর কোনো বাধা থাকল না।রোববার এক সার্কুলার জারি করে এ নির্দেশনা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে বলা
ঋণ আদায়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় চট্টগ্রামে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শনিবার (১৮ জানুয়ারি)
বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগোর ব্যবহার নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার (১৯ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে,
বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে ১২০ কোটি ৬৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪ হাজার ৮৪৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩
ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশযাত্রায় সব ধরনের বাধা উঠিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ব্যাংকারদের বিদেশে ভ্রমণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরও কোনো অনুমতির প্রয়োজন হবে না। ব্যাংকের ভ্রমণ নীতিমালা অনুযায়ী কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ, সভা, সেমিনার,
চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এই অর্থবছরে উল্লেখযোগ্য সংকটের মুখোমুখি হবে দেশের অর্থনীতি। শুক্রবার বিশ্বব্যাংকের ‘গ্লোবাল ইকোনমিক
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, তার পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৭৭টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের (অবরুদ্ধ) আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাবে ২৪ কোটি ৬৫
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ব্যাংকটির প্রশাসন বিভাগ থেকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট, কমেন্ট, শেয়ার
বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের হিউম্যান রিচার্স ডেভলপমেন্ট (এইচআরডি) বিভাগ। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র
আওয়ামী লীগ সরকারের গত সাড়ে ১৫ বছরের লুটপাট হয়েছে ব্যাংক খাত সহ অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে। ব্যাংক খাতের এই লুটপাটের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড ছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার (এসকে)